শরীআ”তের দৃষ্টিতে দাড়ি রাখা
শরীয়তের দৃষ্টিতে পুরুষদের জন্য দাড়ি রাখা ছুন্নাত নহে ওয়াজিব অর্থাৎ ফরজের নিকটবর্তী। দাড়ি মুন্ডানু বা কেটে ছেঁটে নিজের হাতের এক মুষ্টির (চার আঙ্গুল) কম করা হারাম, কবীরা গুনাহ ও গুনাহে জারিয়া। দাড়ি মুন্ডানো ব্যক্তি ফাছেক (মহাপাপী) আর ফাছেকের ঠিকানা হলো জাহান্নাম। মোচ ছোট করা ছুন্নাত। যাতে উপরের কিনারা ছাফ থাকে। বড় বড় মোচ রাখা অমুসলিমদের তরীকা এবং মোচ একেবারে মুন্ডানো নিষ...েধ। (কিফায়াতুল মুফতি ৯ম খন্ড, ১৬৬ পৃষ্ঠা। আশিয়াতুল লুমআত ১ম খন্ড ২১২ পৃষ্ঠা। আদ দুররুল মুখতার ৫ম খন্ড, ২৮৮ পৃষ্ঠা।)
দাড়ি রাখার ফায়দা বা লাভ সমূহ :
১। দাড়ি রাখা শিআরে ইসলাম অর্থাৎ এর দ্বারা মুসলমানদের জাতীয় নিদর্শনের পরিচয় পাওয়া যায় এবং শরীয়তের হুকুম পূর্ণ করা হয়।
২। আল্লহ তায়ালার খিলক্বাত-সৃষ্টিকে ঠিক রাখা হয়, পবিত্র কুরআনে কারীমে যার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। (ছুরাহ নিছা আয়ত-১১৯)
৩। মহিলাদের সামঞ্জস্যতা থেকে বাচা যায়।
৪। চোখের দৃষ্টিশক্তি ঠিক থাকে। পর্যায়ক্রমে দৃষ্টিশক্তি হ্রাস পায় না।
৫। ইমাম মুআযযিন হওয়ার যোগ্যতা বিদ্যমান থাকে।
৬। মুছলমানদের সম্মান ও ছালাম পাওয়ার যোগ্য বলে বিবেচিত হয়।
৭। চেহারার মধ্যে নূর চমকাতে থাকে ও চেহারার সৌন্দর্য বৃদ্ধি পেতে থাকে।
৮। অনেক গুনাহর কাজ থেকে বিরত থাকা সহজ হয়ে যায়। কারণ দাড়িওয়ালা ব্যক্তিকে শয়তান সহজে অন্যায় কাজে লিপ্ত করতে পারেনা। দাড়ির কারণে সে ব্যক্তি অবৈধ কাজে অংশগ্রহণ করতেও লজ্জা বোধ করে।
৯। সেভ করার অনর্থক সময় ও অর্থের অপচয় বন্ধ হয়।
১০। ওয়াজিব আদায়কারী হিসেবে দ্বীনদার-পরহেযগার এ জাতীয় সম্মানিত উপাধিত ভূষিত হওয়া যায়।
১১। একজন মুমিন হিসেবে সহজে পরিচিতি পাওয়া যায়। নতুবা মুমিন-কাফির পার্থক্য করা খুবই মুশকিল হয়ে যায়।
১২। রছুলুল্লাহ ছল্লাল্লহু আলাইহি ওয়া ছাল্লামের অন্তর মুবারক খুশি করা হয়।
১৩। গুনাহে জারিয়াহ হতে মুক্তি পাওয়া যায়। দাড়ি না রাখার কারণে তার আমল নামায় সর্বক্ষণ অর্থাৎ প্রতিটি সেকেন্ড, মিনিট, ঘন্টা, দিন, মাস, বছর, যুগযুগান্তর অর্থাৎ সারা জীবন গুনাহে জারিয়াহ তথা কবিরা গুনাহ লেখা হতে থাকে। তার কারণে এবং তাকে দেখে যতো লোক দাড়ি মুন্ডাবে সে গুনাহও তার আ”মাল নামায় কেয়ামত পর্যন্ত আসতে থাকবে।
১৪। পুরুষদের সৌন্দর্য হচ্ছে দাড়ি। কারণ পুরুষ জাতি তো সিংহের ন্যায় বাহাদুর আর সিংহের মুখের শোভা হল দাড়ি।
১৫। রাস্তা ঘাটে বা অপরিচিত স্থানে মারা গেলে মুছলমান হিসেবে তার গোসল ও কাফন-দাফন নসীব হয়।
১৬। কবরে মুনকার-নকীরের সুওয়াল- জাওয়াব সহজ হয়।
১৭। এর দ্বারা হাশরের ময়দানে উম্মত বলে দাবি করা সহজ হবে এবং হযরত রছুলে কারীম ছল্লাল্লহ আ”লাইহি ওয়া ছাল্লামের সুপারিশ লাভের উছিলা হবে।
প্রমাণ সমূহঃ
(১) ছূরাহ নিসা, আয়াত ১১৯ (২) বুখারী শরীফ, ২য় খন্ড ৮৭৫ পৃষ্ঠা (৩) কিফায়াতুল মুফতি, ৯ম খণ্ড ১৬১-১৬৬ পৃষ্ঠা (৪) তিরমিজী শরীফ, ২য় খন্ড ১০৫ পৃষ্ঠা (৫) আহছানুল ফাতওয়া, ২য় খন্ড ২৮৭ পৃষ্ঠা (৬) আযীযুল ফাতওয়া, ১ম খন্ড ২৬২ পৃষ্ঠা (৭) জাওয়াহিরুল ফিকহ্ ২য় খন্ড ৪১৭ পৃষ্ঠা (৮) ফাতওয়া রহীমিয়া, ৬ষঠ খন্ড ২৩৬ পৃষ্ঠা (৯) কিফায়াতুল মুফতি, ৯ম খন্ড ৪১৩ পৃষ্ঠা ।
দাড়ি রাখার ফায়দা বা লাভ সমূহ :
১। দাড়ি রাখা শিআরে ইসলাম অর্থাৎ এর দ্বারা মুসলমানদের জাতীয় নিদর্শনের পরিচয় পাওয়া যায় এবং শরীয়তের হুকুম পূর্ণ করা হয়।
২। আল্লহ তায়ালার খিলক্বাত-সৃষ্টিকে ঠিক রাখা হয়, পবিত্র কুরআনে কারীমে যার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। (ছুরাহ নিছা আয়ত-১১৯)
৩। মহিলাদের সামঞ্জস্যতা থেকে বাচা যায়।
৪। চোখের দৃষ্টিশক্তি ঠিক থাকে। পর্যায়ক্রমে দৃষ্টিশক্তি হ্রাস পায় না।
৫। ইমাম মুআযযিন হওয়ার যোগ্যতা বিদ্যমান থাকে।
৬। মুছলমানদের সম্মান ও ছালাম পাওয়ার যোগ্য বলে বিবেচিত হয়।
৭। চেহারার মধ্যে নূর চমকাতে থাকে ও চেহারার সৌন্দর্য বৃদ্ধি পেতে থাকে।
৮। অনেক গুনাহর কাজ থেকে বিরত থাকা সহজ হয়ে যায়। কারণ দাড়িওয়ালা ব্যক্তিকে শয়তান সহজে অন্যায় কাজে লিপ্ত করতে পারেনা। দাড়ির কারণে সে ব্যক্তি অবৈধ কাজে অংশগ্রহণ করতেও লজ্জা বোধ করে।
৯। সেভ করার অনর্থক সময় ও অর্থের অপচয় বন্ধ হয়।
১০। ওয়াজিব আদায়কারী হিসেবে দ্বীনদার-পরহেযগার এ জাতীয় সম্মানিত উপাধিত ভূষিত হওয়া যায়।
১১। একজন মুমিন হিসেবে সহজে পরিচিতি পাওয়া যায়। নতুবা মুমিন-কাফির পার্থক্য করা খুবই মুশকিল হয়ে যায়।
১২। রছুলুল্লাহ ছল্লাল্লহু আলাইহি ওয়া ছাল্লামের অন্তর মুবারক খুশি করা হয়।
১৩। গুনাহে জারিয়াহ হতে মুক্তি পাওয়া যায়। দাড়ি না রাখার কারণে তার আমল নামায় সর্বক্ষণ অর্থাৎ প্রতিটি সেকেন্ড, মিনিট, ঘন্টা, দিন, মাস, বছর, যুগযুগান্তর অর্থাৎ সারা জীবন গুনাহে জারিয়াহ তথা কবিরা গুনাহ লেখা হতে থাকে। তার কারণে এবং তাকে দেখে যতো লোক দাড়ি মুন্ডাবে সে গুনাহও তার আ”মাল নামায় কেয়ামত পর্যন্ত আসতে থাকবে।
১৪। পুরুষদের সৌন্দর্য হচ্ছে দাড়ি। কারণ পুরুষ জাতি তো সিংহের ন্যায় বাহাদুর আর সিংহের মুখের শোভা হল দাড়ি।
১৫। রাস্তা ঘাটে বা অপরিচিত স্থানে মারা গেলে মুছলমান হিসেবে তার গোসল ও কাফন-দাফন নসীব হয়।
১৬। কবরে মুনকার-নকীরের সুওয়াল- জাওয়াব সহজ হয়।
১৭। এর দ্বারা হাশরের ময়দানে উম্মত বলে দাবি করা সহজ হবে এবং হযরত রছুলে কারীম ছল্লাল্লহ আ”লাইহি ওয়া ছাল্লামের সুপারিশ লাভের উছিলা হবে।
প্রমাণ সমূহঃ
(১) ছূরাহ নিসা, আয়াত ১১৯ (২) বুখারী শরীফ, ২য় খন্ড ৮৭৫ পৃষ্ঠা (৩) কিফায়াতুল মুফতি, ৯ম খণ্ড ১৬১-১৬৬ পৃষ্ঠা (৪) তিরমিজী শরীফ, ২য় খন্ড ১০৫ পৃষ্ঠা (৫) আহছানুল ফাতওয়া, ২য় খন্ড ২৮৭ পৃষ্ঠা (৬) আযীযুল ফাতওয়া, ১ম খন্ড ২৬২ পৃষ্ঠা (৭) জাওয়াহিরুল ফিকহ্ ২য় খন্ড ৪১৭ পৃষ্ঠা (৮) ফাতওয়া রহীমিয়া, ৬ষঠ খন্ড ২৩৬ পৃষ্ঠা (৯) কিফায়াতুল মুফতি, ৯ম খন্ড ৪১৩ পৃষ্ঠা ।



0 comments:
Post a Comment