২- ইখলাছ শিক্ষা ও অনুশীলন :
ইখলাছ কি, কেন ও কিভাবে অর্জন সম্ভব-এ বিষয়টি ভালভাবে রপ্ত করতে হবে। ভালভাবে কোন বিষয় না জানলে তা অবলম্বন করা যায় না।
ইয়াহইয়া ইবনে কাসীর রহ. বলেন : তোমরা নিয়্যত শিক্ষা করে নাও, কারণ এটা আমলের চেয়ে বেশী গুরূত্বপূর্ণ। (হুলইয়াতুল আওলিয়া : আল-ইসফাহানী)
আল-মাকাদাসী রহ. বলেন : যে নিয়্যতের স্বরূপ জানে না সে কি করে নিয়্যতকে বিশুদ্ধ করবে। যে নিয়্যত বিশুদ্ধ করল, কিন্তু ইখলাছ সম্পর্কে জানলো না সে কি করে ইখলাছ অবলম্বন করবে। কাজেই প্রথম কাজ হল নিয়্যতকে শুদ্ধ করা তারপর ইখলাছ অবলম্বন করা। (মিনহাজ আল-কাসেদীন : আল-মাকদাসী)
৩- ইখলাছের সওয়াব ও পুরস্কার স্মরণ করা :
ইখলাছের তাৎপর্য ও তার প্রতিদানের কথা স্মরণ করা। মনে রাখা, ইখলাছ হল আমল কবুলের শর্ত। জান্নাতে প্রবেশের একমাত্র রাস্তা। আর শয়তানের কুমন্ত্রণা ও ধোঁকা থেকে বাঁচার একটা মজবুত কেল্লা।
যেমন বলেছেন আল্লাহ রাব্বুল আলামীন :-
قَالَ رَبِّ بِمَا أَغْوَيْتَنِي لَأُزَيِّنَنَّ لَهُمْ فِي الْأَرْضِ وَلَأُغْوِيَنَّهُمْ أَجْمَعِينَ. إِلَّا عِبَادَكَ مِنْهُمُ الْمُخْلَصِينَ .الحجر : 39-40
শয়তান বলল, হে আমার প্রতিপালক! আপনি যে আমাকে বিপথগামী করলেন সে জন্য আমি পৃথিবীতে মানুষের নিকট পাপকর্মকে অবশ্যই শোভন করে দেব এবং আমি তাদের সকলকে বিপথগামী করব, তবে তাদের নয়, যারা আপনার ইখলাছ অবলম্বনকারী (একনিষ্ঠ ) বান্দা। (সূরা আল-হিজর : ৩৯-৪০)
আল্লাহ তাআলা আরো বলেন :-
إِنَّكُمْ لَذَائِقُو الْعَذَابِ الْأَلِيمِ ﴿38﴾ وَمَا تُجْزَوْنَ إِلَّا مَا كُنْتُمْ تَعْمَلُونَ ﴿39﴾ إِلَّا عِبَادَ اللَّهِ الْمُخْلَصِينَ ﴿40﴾ أُولَئِكَ لَهُمْ رِزْقٌ مَعْلُومٌ ﴿41﴾ فَوَاكِهُ وَهُمْ مُكْرَمُونَ ﴿42﴾ فِي جَنَّاتِ النَّعِيمِ ﴿43﴾ عَلَى سُرُرٍ مُتَقَابِلِينَ ﴿44﴾ (الصافات : 38-44)
তোমরা অবশ্যই মর্মন্তদ শাস্তির আস্বাদ গ্রহণ করবে এবং তোমরা যা করতে তারই প্রতিফল পাবে। তবে তারা নয় যারা আল্লাহর একনিষ্ঠ (মুখলিছ) বান্দা। তাদের জন্য আছে নির্ধারিত রিযক-ফলমূল ; আর তারা হবে সম্মানিত, সুখদ-কাননে তারা মুখোমুখি হয়ে আসীন হবে। (সূরা আস-সাফফাত : ৩৮-৪৪)
যে ব্যক্তি কোন নেক আমলের দ্বারা শুধু পার্থিব স্বার্থ অর্জন করার নিয়্যত করবে তাকে পার্থিব সে স্বার্থ দেয়া হবে পূর্ণভাবে। কিন্তু আখেরাতে থাকবে তার জন্য শাস্তি। কারণ তার নিয়্যত ও পুরো চিন্তাভাবনা ছিল দুনিয়াকে ঘিরে। আল্লাহ তো তার বান্দাদের অন্তরের নিয়্যত অনুযায়ী প্রতিদান দিবেন। যেমন আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেন :-
مَنْ كَانَ يُرِيدُ الْحَيَاةَ الدُّنْيَا وَزِينَتَهَا نُوَفِّ إِلَيْهِمْ أَعْمَالَهُمْ فِيهَا وَهُمْ فِيهَا لَا يُبْخَسُونَ ﴿15﴾ أُولَئِكَ الَّذِينَ لَيْسَ لَهُمْ فِي الْآَخِرَةِ إِلَّا النَّارُ وَحَبِطَ مَا صَنَعُوا فِيهَا وَبَاطِلٌ مَا كَانُوا يَعْمَلُونَ ﴿16﴾.(هود : 15-16)
যে পার্থিব জীবন ও তার শোভা কামনা করে, দুনিয়াতে আমি তাদের কর্মের পূর্ণ ফল দান করি এবং সেথায় তাদেরকে কম দেয়া হবে না। তাদের জন্য আখেরাতে আগুন ব্যতীত অন্য কিছুই নেই। আর তারা যা করে আখেরাতে তা নিষ্ফল হবে এবং তারা যা করে থাকে তা নিরর্থক। (সূরা হুদ : ১৫-১৬)
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেই দিয়েছেন :-
من سمع سمع الله به ومن يرائي يرائي الله به أخرجه البخاري : 6499
যে মানুষকে শোনানোর জন্য কাজ করল আল্লাহ তা মানুষকে শুনিয়ে দেবেন। আর যে মানুষকে দেখানোর জন্য কাজ করল আল্লাহ তা মানুষকে দেখিয়ে দেবেন। (বর্ণনায় : বুখারী)
ইখলাছ কি, কেন ও কিভাবে অর্জন সম্ভব-এ বিষয়টি ভালভাবে রপ্ত করতে হবে। ভালভাবে কোন বিষয় না জানলে তা অবলম্বন করা যায় না।
ইয়াহইয়া ইবনে কাসীর রহ. বলেন : তোমরা নিয়্যত শিক্ষা করে নাও, কারণ এটা আমলের চেয়ে বেশী গুরূত্বপূর্ণ। (হুলইয়াতুল আওলিয়া : আল-ইসফাহানী)
আল-মাকাদাসী রহ. বলেন : যে নিয়্যতের স্বরূপ জানে না সে কি করে নিয়্যতকে বিশুদ্ধ করবে। যে নিয়্যত বিশুদ্ধ করল, কিন্তু ইখলাছ সম্পর্কে জানলো না সে কি করে ইখলাছ অবলম্বন করবে। কাজেই প্রথম কাজ হল নিয়্যতকে শুদ্ধ করা তারপর ইখলাছ অবলম্বন করা। (মিনহাজ আল-কাসেদীন : আল-মাকদাসী)
৩- ইখলাছের সওয়াব ও পুরস্কার স্মরণ করা :
ইখলাছের তাৎপর্য ও তার প্রতিদানের কথা স্মরণ করা। মনে রাখা, ইখলাছ হল আমল কবুলের শর্ত। জান্নাতে প্রবেশের একমাত্র রাস্তা। আর শয়তানের কুমন্ত্রণা ও ধোঁকা থেকে বাঁচার একটা মজবুত কেল্লা।
যেমন বলেছেন আল্লাহ রাব্বুল আলামীন :-
قَالَ رَبِّ بِمَا أَغْوَيْتَنِي لَأُزَيِّنَنَّ لَهُمْ فِي الْأَرْضِ وَلَأُغْوِيَنَّهُمْ أَجْمَعِينَ. إِلَّا عِبَادَكَ مِنْهُمُ الْمُخْلَصِينَ .الحجر : 39-40
শয়তান বলল, হে আমার প্রতিপালক! আপনি যে আমাকে বিপথগামী করলেন সে জন্য আমি পৃথিবীতে মানুষের নিকট পাপকর্মকে অবশ্যই শোভন করে দেব এবং আমি তাদের সকলকে বিপথগামী করব, তবে তাদের নয়, যারা আপনার ইখলাছ অবলম্বনকারী (একনিষ্ঠ ) বান্দা। (সূরা আল-হিজর : ৩৯-৪০)
আল্লাহ তাআলা আরো বলেন :-
إِنَّكُمْ لَذَائِقُو الْعَذَابِ الْأَلِيمِ ﴿38﴾ وَمَا تُجْزَوْنَ إِلَّا مَا كُنْتُمْ تَعْمَلُونَ ﴿39﴾ إِلَّا عِبَادَ اللَّهِ الْمُخْلَصِينَ ﴿40﴾ أُولَئِكَ لَهُمْ رِزْقٌ مَعْلُومٌ ﴿41﴾ فَوَاكِهُ وَهُمْ مُكْرَمُونَ ﴿42﴾ فِي جَنَّاتِ النَّعِيمِ ﴿43﴾ عَلَى سُرُرٍ مُتَقَابِلِينَ ﴿44﴾ (الصافات : 38-44)
তোমরা অবশ্যই মর্মন্তদ শাস্তির আস্বাদ গ্রহণ করবে এবং তোমরা যা করতে তারই প্রতিফল পাবে। তবে তারা নয় যারা আল্লাহর একনিষ্ঠ (মুখলিছ) বান্দা। তাদের জন্য আছে নির্ধারিত রিযক-ফলমূল ; আর তারা হবে সম্মানিত, সুখদ-কাননে তারা মুখোমুখি হয়ে আসীন হবে। (সূরা আস-সাফফাত : ৩৮-৪৪)
যে ব্যক্তি কোন নেক আমলের দ্বারা শুধু পার্থিব স্বার্থ অর্জন করার নিয়্যত করবে তাকে পার্থিব সে স্বার্থ দেয়া হবে পূর্ণভাবে। কিন্তু আখেরাতে থাকবে তার জন্য শাস্তি। কারণ তার নিয়্যত ও পুরো চিন্তাভাবনা ছিল দুনিয়াকে ঘিরে। আল্লাহ তো তার বান্দাদের অন্তরের নিয়্যত অনুযায়ী প্রতিদান দিবেন। যেমন আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেন :-
مَنْ كَانَ يُرِيدُ الْحَيَاةَ الدُّنْيَا وَزِينَتَهَا نُوَفِّ إِلَيْهِمْ أَعْمَالَهُمْ فِيهَا وَهُمْ فِيهَا لَا يُبْخَسُونَ ﴿15﴾ أُولَئِكَ الَّذِينَ لَيْسَ لَهُمْ فِي الْآَخِرَةِ إِلَّا النَّارُ وَحَبِطَ مَا صَنَعُوا فِيهَا وَبَاطِلٌ مَا كَانُوا يَعْمَلُونَ ﴿16﴾.(هود : 15-16)
যে পার্থিব জীবন ও তার শোভা কামনা করে, দুনিয়াতে আমি তাদের কর্মের পূর্ণ ফল দান করি এবং সেথায় তাদেরকে কম দেয়া হবে না। তাদের জন্য আখেরাতে আগুন ব্যতীত অন্য কিছুই নেই। আর তারা যা করে আখেরাতে তা নিষ্ফল হবে এবং তারা যা করে থাকে তা নিরর্থক। (সূরা হুদ : ১৫-১৬)
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেই দিয়েছেন :-
من سمع سمع الله به ومن يرائي يرائي الله به أخرجه البخاري : 6499
যে মানুষকে শোনানোর জন্য কাজ করল আল্লাহ তা মানুষকে শুনিয়ে দেবেন। আর যে মানুষকে দেখানোর জন্য কাজ করল আল্লাহ তা মানুষকে দেখিয়ে দেবেন। (বর্ণনায় : বুখারী)



0 comments:
Post a Comment